Wednesday, March 4, 2026

অগ্রদ্বীপ গোপীনাথ মেলার ইতিহাস

অগ্রদ্বীপ গ্রামের গোপীনাথের মেলা—প্রায় ৪৫০ বছরের প্রাচীন এক ঐতিহ্য, ভক্তি আর ইতিহাসের অপূর্ব মিলনক্ষেত্র। ভাগীরথীর পবিত্র তীরে অবস্থিত অগ্রদ্বীপ—এই স্থান জড়িয়ে আছে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য-এর স্মৃতির সঙ্গে। এখানে গোপীনাথের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মহাপ্রভুর পার্ষদ গোবিন্দ ঘোষ। ১৫১৫ খ্রিস্টাব্দের ফাল্গুন মাসে শ্রীচৈতন্য অগ্রদ্বীপে এসে ভক্ত গোবিন্দ ঘোষের কাছে অবস্থান করেন। সেই সময় মহাপ্রভু একটি কৃষ্ণবিগ্রহ নির্মাণ করিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর নাম দেন গোপীনাথ। পরে নীলাচলে যাত্রার সময় মহাপ্রভুর নির্দেশে অগ্রদ্বীপেই থেকে যান গোবিন্দ ঘোষ। তিনি সারাজীবন নিজেকে উৎসর্গ করেন গোপীনাথের সেবায়। ১৫৮৮ খ্রিস্টাব্দে চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে দেহত্যাগ করেন মহাপ্রভুর অষ্ট পার্ষদের অন্যতম এই মহান ভক্ত। তাঁর প্রয়াণতিথি স্মরণে প্রতিবছর এই দিনেই অনুষ্ঠিত হয় ‘চিড়ে মহোৎসব’ বা পারলৌকিক অনুষ্ঠান। লোককথা বলে, শিশুপুত্রের মৃত্যুর শোকে একসময় প্রায় উন্মাদ হয়ে পড়েছিলেন গোবিন্দ ঘোষ। তখন গোপীনাথ স্বপ্নে এসে তাঁকে আশ্বাস দেন—তিনি নিজেই পুত্ররূপে তাঁর শ্রাদ্ধ সম্পন্ন করবেন। সেই বিশ্বাস থেকেই গোবিন্দ ঘোষের মৃত্যুর পর গোপীনাথ এক মাস ধরে হবিষ্যান্ন গ্রহণ করেন এবং শ্রাদ্ধকালীন কাছা ধারণ করেন, পিণ্ডদান সম্পন্ন করার জন্য। আজও সেই প্রথা অটুট। প্রতি বছর চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীতে গোপীনাথের বিগ্রহ মন্দির থেকে বের করে আনা হয় গোবিন্দ ঘোষের সমাধিক্ষেত্রে। মন্দিরের পাশেই রয়েছে তাঁর সমাধিস্থল। আর সেই উপলক্ষেই অগ্রদ্বীপে বসে ঐতিহ্যবাহী গোপীনাথের মেলা—যেখানে মিলিত হয় ভক্তি, সংস্কৃতি আর লোকউৎসবের আনন্দ। অগ্রদ্বীপ আগে থেকেই প্রসিদ্ধ ছিল বারুণী স্নান উৎসবের জন্য। চৈত্রের কৃষ্ণা ত্রয়োদশীতে অনুষ্ঠিত এই বারুণী স্নান শ্রীচৈতন্যের আবির্ভাবেরও বহু আগে থেকে প্রচলিত। বাংলা, বিহার, বাংলাদেশ ও ওডিশার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা এখানে আসতেন পুণ্যস্নানে অংশ নিতে। ইতিহাস বলছে, ১৮২৮ সালের বিধ্বংসী বন্যায় কৃষ্ণচন্দ্র রায় নির্মিত প্রাচীন গোপীনাথ মন্দির গঙ্গাগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। সেই মন্দিরটি বর্তমান মন্দিরের প্রায় এক মাইল উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ছিল। বর্তমান মন্দিরটি নির্মিত হয় ১৮২৩ সালে, যশোরের বগচর নিবাসী গোপীনাথ পোদ্দারের আর্থিক সহায়তায়। আজও ভাগীরথীর তীরে দাঁড়িয়ে গোপীনাথের মন্দির শুধু একটি উপাসনালয় নয়—এটি ভক্তি, অলৌকিক বিশ্বাস, আর বাংলার শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যের এক জীবন্ত দলিল। এই ছিল অগ্রদ্বীপ গোপীনাথের মেলা—ইতিহাস আর আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য অধ্যায়।

অগ্রদ্বীপ কালকাপুর কালি মা

মায়ের নির্দেশ পেয়ে আর বসে থাকেননি সেই ব্রাহ্মণ। মায়ের ডাক কি কখনও উপেক্ষা করা যায়? একা একাই তিনি ছুটে গেলেন নদীর পাড়ে। “জয় মা!” বলে খরস্রোতা তটিনীর জলে ডুব দিলেন। হাতড়াতে লাগলেন চারিদিক। সময় কেটে যায়… শ্বাস ভারী হয়ে ওঠে… বুকের ভিতর চাপা যন্ত্রণা। তবে কি তিনি ব্যর্থ হবেন? তবে কি মা মিলবেন না? ঠিক সেই মুহূর্তে— নদীর তলদেশে দেখা দিল এক অপূর্ব জ্যোতি! ঘন কালো শিলায় খোদিত এক অপরূপ মাতৃমূর্তি! তিনি তুলে আনলেন সেই মূর্তি। কিন্তু স্বপ্নে তো মা বলেছিলেন— তিনি কালী রূপে পূজিত হবেন! এ যে অষ্টভুজা মহিষাসুরমর্দিনী! মহিষের পৃষ্ঠে আরোহিনী, অসুরবধে রত মাতা দুর্গা! কিন্তু রণক্ষেত্রে তো তিনিই রূপ বদল করেছিলেন বারবার। তিনিই দুর্গা, তিনিই কৌশিকী, তিনিই কাত্যায়নী, তিনিই গৌরী। তিনিই চণ্ডিকা, তিনিই কালী, তিনিই কালরাত্রি! সেই দিন থেকেই কুমরি নদীর তীরে সেই গ্রামে মা অধিষ্ঠিত হলেন— দুর্গা রূপে, অথচ কালিকাকল্পে। মায়ের পূজা হয় কালী ধ্যান ও মন্ত্রে। দীপান্বিতা অমাবস্যার রাত্রে শতাধিক বছর ধরে হয়ে আসছে মহাপূজা। ছোট্ট অজানা সেই গ্রাম পরিচিত হল নতুন নামে— কালিকাপুর। মহিষাসুরমর্দিনী মায়ের কালী হয়ে ওঠা সচরাচর দেখা যায় না। কিন্তু কাটোয়ার কালিকাপুরে অধিষ্ঠাত্রী মা— অষ্টভুজা মহিষাসুরমর্দিনী কালী! --- মায়ের প্রতিষ্ঠা নিয়ে শতাধিক বছরের একটি প্রাচীন ভাষ্য প্রচলিত আছে। কালিকাপুরের অদূরে কুমরি নদীর তীরে কুমরি গ্রাম। সেই গ্রামের এক ব্রাহ্মণ প্রথম স্বপ্নাদেশ পান নদী থেকে মূর্তি তুলে প্রতিষ্ঠা করার। কিন্তু তিনি বিষয়টি গোপন রাখেন। অবিশ্বাসীকে মা ধরা দেননি। এরপর কালিকাপুরের এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ একই স্বপ্ন পান। তিনি দ্বিধা করেননি। নদীতে নেমে খুঁজে পান সেই অপরূপা মূর্তি। নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন মা’কে। সেই থেকে আজও চলছে পূজা। --- একবার ভয়াবহ খরার সময় গ্রাম ছিল সম্পূর্ণ শুষ্ক। হঠাৎ লেগে যায় আগুন। শুকনো ঘাস, খটখটে ঘরবাড়ি— মুহূর্তে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড। পুকুর-বিল সব জলশূন্য। আগুন নেভানোর উপায় নেই। ঠিক তখন— ধানের জমির আল ধরে এক ছোট মেয়েকে হেঁটে আসতে দেখা যায়। এক বৃদ্ধ জিজ্ঞাসা করেন, “কোথায় যাচ্ছো মা? গ্রামে আগুন লেগেছে!” মেয়েটির উত্তর— “আমার কালিকাপুর পুড়ে যাচ্ছে, আর আমি যাব না?” মুহূর্তে আকাশে জমে ওঠে কালো মেঘ। নামে প্রবল বৃষ্টি। সেই বৃষ্টির জলে নিভে যায় আগুন। শুষ্ক গ্রাম সজীব হয়ে ওঠে। পুকুরে জল ফিরে আসে। চাষ শুরু হয়। অভুক্ত কৃষকের পেটের আগুনও নেভে। --- মূর্তিটির প্রকৃত প্রাচীনত্ব নিয়ে কোনও লিখিত তথ্য নেই। তবে গঠনশৈলী, অলঙ্করণ ও দেবমণ্ডল দেখে অনুমান করা হয়— এটি পাল-সেন যুগের সমসাময়িক। পাল যুগের প্রস্তরমূর্তির সঙ্গে এর বিস্ময়কর সাদৃশ্য রয়েছে। অর্থাৎ, এই মূর্তি অন্তত সহস্র বছরের প্রাচীন। গবেষকদের মতে, বর্তমান কুমরি নদী আদতে সপ্তমাতৃকার এক মাতৃকা— কৌমারী নদী। সম্ভবত সেই কৌমারী রূপেই একসময় পূজিত হতেন এই দেবী। কালের নিয়মে প্রাচীন মন্দির ধ্বংস হয়ে যায়। মূর্তিটি নদীর জলে অবহেলায় পড়ে থাকে। অষ্টাদশ শতকের গোড়ায় কালিকাপুরবাসীরা মূর্তি উদ্ধার করে প্রতিষ্ঠা করেন। দেবীর নামানুসারেই গ্রামের নাম হয়— কালিকাপুর। বর্তমান মন্দিরের স্থান দান করেছিলেন যোগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। আজও বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে যুক্ত। --- এভাবেই কাটোয়ার কালিকাপুরে মহিষাসুরমর্দিনী মায়ের কালী রূপ— ভক্তদের আশীর্বাদ করে চলেছেন যুগের পর যুগ। জয় মা। 🙏

Saturday, May 21, 2022

Tuesday, April 19, 2022

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথের মেলা | Agradwip Gopinath Mela 2022 | অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ মেলার ইতিহাস

 


কখনও দেখেছেন  স্বয়ং দেবতা ভক্তের শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান করছেন কাছা পড়ে? ভক্তের পিন্ড দান করছেন?


পূর্ব বর্ধমান জেলার ছোট্ট একটি গ্রাম অগ্রদ্বীপ। এখানে যেমন রয়েছে কাষ্ঠ শিল্পের জন্য বিখ্যাত নতুনগ্রাম, রয়েছে শ্রী শ্রী ১০৮ প্রজ্ঞাদাসজি কাঠিয়া বাবার আশ্রম, তেমনই আবার সাধক গোবিন্দ ঘোষ আর তাঁর আরাধ্য দেবতা গোপিনাথের জন্য অগ্রদ্বীপ বিখ্যাত। অগ্রদ্বীপে আসতে
হাওড়া থেকে কাটোয়া লোকালে উঠলেই হবে, নবদ্বীপ থেকে ট্রেনে আধা ঘণ্টা লাগে। প্রতি বছর চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে এখানে মেলা বসে। বাংলাদেশ, ত্রিপুরা, আসাম, বিহার সহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতি বছর প্রায় আট লক্ষ ভক্তের সমাগম হয় এই অগ্রদ্বীপের মেলার সময়।


গোবিন্দ ঘোষ ছিলেন শ্রীচৈতন্যের একনিষ্ঠ ভক্ত। সন্নাস গ্রহণের পর একদিন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু অগ্রদ্বীপে আসেন এবং খাওয়ার পর মহাপ্রভু হাত বাড়িয়ে দিলেন মুখশুদ্ধির জন্য, গোবিন্দ ঘোষ লোকের বাড়ি থেকে হরিতকি চেয়ে নিয়ে এসে মহাপ্রভুর হাতে তুলে দেন, পরের দিন আবার যথারীতি দুপুরে খাওয়ার পর মহাপ্রভু হাত বাড়িয়ে দিলেন মুখশুদ্ধির জন্য,  হরিতকি মিলল তৎক্ষণাৎ কারণ গোবিন্দ আগের দিনের হরিতকি থেকে কিছুটা সঞ্চয় করে রেখেছিলেন। মহাপ্রভু তখন সঞ্চয়বৃত্তি দেখে তাকে বলেন অগ্রদ্বীপেই গোপীনাথের পূজার ভার নিতে। শ্রী চৈতন্যদেবের আজ্ঞা মত গোবিন্দ ঘোষ অগ্রদ্বীপে গোপীনাথের দৈনন্দিন পূজার দায়িত্ব নেন।

এরপর স্ত্রী ও শিশুপুত্রের মৃত্যুর পরে শোকে পাগলের মতো অবস্থা হয়েছিল গোবিন্দ ঘোষের। এক সময় আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন। তখন গোপীনাথ তাঁকে স্বপ্নে দেখা দেন। তিনিই পুত্র হিসেবে গোবিন্দ ঘোষের শ্রাদ্ধ করবেন বলে তাঁকে আশ্বাস দেন। সেই কথা মেনে গোবিন্দ ঘোষের মৃত্যুর পরে তাঁর শ্রাদ্ধ করেন গোপীনাথ। অনেকে বলেন, একমাত্র এখানেই নাকি ভগবান ভক্তের শ্রাদ্ধ করেন। সেই প্রথা এখনও চলে আসছে।

প্রায় ৪০০ বছর ধরে এই মেলা ধারাবাহিক ভাবে চলে আসছে। আগে অগ্রদ্বীপের খ্যাতি ছিল ছিল বারুণীর স্নান উৎসবের জন্যই। দিগ্বিজয়প্রকাশে  লেখা  আছে  যে  বারুণীতে  অগ্রদ্বীপে  গঙ্গা-স্নান  করলে  বারাণসীতে  গঙ্গা-স্নানের  সমান  পুণ্য  লাভ  হয়।  কথিত  আছে,  এখানকার  ফল  মাহাত্মের  জন্য  রাজা  বিক্রমাদিত্য  এখানে  গঙ্গাস্নান  করতে  আসতেন। আর সেসময় অগ্রদ্বীপের মেলা গঙ্গাসাগরের মেলার থেকেও বেশী জনপ্রিয় ছিল।

জয় বাবা গোপীনাথ 🙏🙏🙏🙏🙏









Tuesday, February 23, 2016

Few Photos that Describe Agradwip....

সূর্য গেছে অস্তাচলে.....

এক পার ভাঙে.....

আমার ছোট তরি.....

একাকীত্ব....... 

অপুর ট্রেনলাইন দেখা....

আমরা চাষ করি আনন্দে......

' ওই রাঙা মাটির পথ'...

সন্ধে নামার আগে.....

'এক ধারে কাশবন.... '

Tuesday, April 21, 2015

The Greatest Agradwipian


#১ কাকুর ছোট্ট চা'এর দোকান অথচ দোকানে 'টাইমস অফ ইন্ডিয়া'পেপার রাখে;নিজে যে সবটা পড়তে পারে তা নয়।বাচ্চা ছেলেগুলো যখন দোকানের সামনে দিয়ে 'পিড়াইমারি ইস্কুলে'যায় অথবা বিকেলে ব্যাগ কাধে নিয়ে 'ইস্টিশান'পেড়িয়ে 'পিড়াইফোট' পড়তে যায়,কাকুর নিষ্ফল চেষ্টা চলতে থাকে ওদের দিয়ে পেপার পড়ানোর। ওদের-ও ব্যাপারটা শুধু 'বোঝা' নয়।কেও কেও আবার উপভোগ করে; বুক ফুলিয়ে বলে: "জানিস,আজ আমি ইংলিশ পেপার পড়েছি।" ব্যাপারটা কিছুটা ক্লাস টু'এর ছেলের 'ম্যাকবেথ'এর দুটো লাইন পড়ে"জানিস আমি  'ছেক্ছপিয়ার' পড়ি!"বলার মত। তা সত্ত্বেও চা'কাকুর:  "আমাদের শিক্ষাকে আমাদের বাহন করিলাম না, শিক্ষাকে আমরা বহন করিয়াই চলিলাম, ইহারই পরম দুঃখ গোচরে অগোচরে আমাদের মনের মধ্যে জমিয়া উঠিতেছে৷' এই চির সত্যকে মিথ্যা প্রমাণ করার যে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা তা অবশ্যয় লক্ষণীয়। #২ দাদুর সেলুনে মাসে অন্তত একবার আমি যায়। ওখানে যে শুধু শরীরের অবাঞ্চিত অংশের ছেদন হয়,তাই নয়।এক অদ্ভুত শান্তি মেলে।দাদুর এই বয়সে মা'এর প্রতি বিনম্র ভক্তি শ্রদ্ধা আমাকে আকৃষ্ট করে।এছাড়াও দাদুর কিছু মহৎ গুণ আছে যা আমাকে মুগ্ধ করে।দাদু অত্যন্ত ভাবুক। তিনি ভাবেন স্বাধীনতার ঊনসত্তর বছর কেটে যাওয়ার পরেও আমরা কি স্বাধীনতা পেয়েছি? দিনে অত্যন্ত পরিশ্রম করার পরেও রাত্রে সমকালিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে কবিতা রচনা করেন।উনার কবিতার কোন মুল্যই হয়তো আমাদের কাছে নেই।তবে উনার ভাবনা আমাদের মত তথাকথিত শিক্ষিত সমাজের কাছে অনুপ্রেরণা। #৩ ঘটনা দুটো উল্লেখ করার দুটো কারণ আছে।কারণ ব্যাসিকালি "কোন স্বার্থ ছারা আমরা এক পা'ও এগোই না।'পুরুষতান্ত্রিক সমাজের যে কোন অত্যাচারের জন্য আমরা পুরুষেরাই দায়ী। অথচ সমাজের 'So Called 'পুরুষের তুলনায় এরকম "Accha Souchnewala Insaan" ও নেহাত কম নয়,যারা দিনে ডাল ভাত আলুভাতে খাই,নেহাতি কোন "ছোট কাজ" করে,অথচ সারাদিনের  'হাঁড়ভাঙা' খাটুনির পর সন্ধ্যায় ব্যর্থতার চাদর সড়িয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করে,নিজেদের মধ্যেই নতুন একটা 'Utopia'এর জন্ম দেয়। পৃথিবীতে এরম কয়েকটা "সাধারণ মানুষের" অত্যাবশ্যকীয়তা  অত্যন্ত প্রয়োজন, যারা সমাজকে নিয়ে একটু ভাববে।তাহলে বোধহয় মেয়েদের "সাদা প্যাড নিয়ে আন্দোলন " 'নিরাপত্তা হিনতা' বা "বর্বরতার শিকার হওয়ার"প্রতিবাদে কোন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবেনা।কারণ কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা "কুলিমজুর"এর "বাবুসাব"রা 'কর্পোরেট World "নিয়ে ব্যস্ত,তাদের ঘুম দেড়িতে ভাঙে। আমি আশাবাদী, তাই আশা রাখছি পৃথিবীতে খুব শীঘ্রয় কয়েকটা 'চা কাকু' আর 'সেলুন দাদুর' জন্ম হবে।

Wednesday, October 1, 2014

শারদীয়া ২০১৪

সকলকে শুভ শারদীয়ার আন্তরিক
প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা ।
যে যেখানেই আছো, যে অবস্থাতেই আছো,
সবকিছু ভুলে খুব খুব আনন্দ কর ।
সৌজন্যে : অগ্রদ্বীপ

Tuesday, September 30, 2014

শিল্পের আদর্শ নিদের্শন

আমাদের অগ্রদ্বীপের এমন কিছু প্রতিভা আছে যা আমাদের সচরাচর চোখে পরেনা। আমার বন্ধু সুজয় সুত্রধরের বানানো এই কাঠের  প্রতিমাটি তার প্রতিভার একটি আদর্শ নিদর্শন।

Monday, March 3, 2014

ওঁ গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণুঃ গুরুর্দেবোঃ মহেশ্বরঃ। গুরুরেব পরম ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ ॥

শ্রীপ্রঞ্জা দাস বাবাজির আকস্মিক তিরোধানে সারা অগ্রদ্বীপে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।আশ্রমের সাধকদের অশ্রুধারা প্রমাণ করে বাবার অস্তিত্ব তাদের হৃদয়ের কতোটা জায়গা জুরে ছিল।স্কুল নির্মাণ, রাস্তা সংস্করণ থেকে শুরু ছাত্রছাত্রীদের পুস্তক সাইকেল বিতরণ বস্ত্র বিতরণ প্রভৃতি যে কর্মজঞ্জের সূচনা তিনি করেছিলেন এক কথায় তা অনস্বীকার্য। তার ঞ্জানের পরিধি সম্পর্কে আমরা সকলেই অবগত। শুধুমাত্র" ঞ্জান "শব্দটির তিনি যা ব্যাখ্যা করেছিলেন তা আমাকে অবাক করেছিল,তাতে আমাকে বিস্মিত করে তুলেছিল। অগ্রদ্বীপের শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ  পর্যন্ত সকলেই তার মৃত্যুতে শোকাহত। স্থানীয় বাজার কমিটি তার আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে বুধবার সমস্ত কার্যকলাপ বন্ধ রেখেছে এবং সান্ধকালিন হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করেছে।

Saturday, March 1, 2014

FUNERAL OF PRAGYADAS JI

From a reliable source, we have learned that the mortal remains of our revered idol, Shree Pragyadasji, will arrive in Brindaban today from 4:00 p.m. onwards. The funeral rites will be performed there with due solemnity. Most of his devoted disciples have already reached the Ashram from various parts of India to pay their last respects. The entire community is mourning the sudden and tragic passing of this great spiritual leader. The grief is profound, and hearts are heavy as people come to terms with the irreparable loss. His unexpected demise in a tragic accident has left countless followers overwhelmed with sorrow, holding on to his teachings and memories as a source of comfort in this difficult time.

Friday, February 28, 2014

The GREAT LOSS FOR AGRADWIPian


We regret that Our idol #Shri Pragya Das Kathia Babaji has been passed away this morning.. The accident took place at Nirsa in Dhanbad when he was returning to Brindabon after inauguration of a "Shiv Temple "at Katwa,(Agradwip, Bahara).After a heavier injuries he was admitted to Patliputra Medical College in Dhanbad.Thre the doctor announced the ride of his body...

Thursday, May 23, 2013

Sunday, September 16, 2012

Swami Janaki Das Vidyapith

Now we will speak about Swami Janaki Das Vidyapith which is one of the most influenced school in our Village.I used to go there and the teachers are very good.I listed the school will be turned into Higher Secondary School,I become very glad after listening this news.Shri Shri Pragya Das ji just changed our Society,and the another name if i dont uttered it will be incomplete,Sukanta Bagchi,He is the most Honest person of our Agradwip,No Doubt.
Jwami Janaki Das
Vidyapith, Nutangram, P.O:
Patuli, Burdwan- 713512

Sunday, April 22, 2012

Ancient Agradwip :Source mayapur.com

Sri Sri Radha-
Gopinatha,
the deities
personally
served and
worshipped
by Srila Govinda Ghosa in
Agradwip, are one of the
ancient deities in Gaura
Mandala. Govinda Ghosa is
an eternal associate of Sri
Caitanya Mahaprabhu.
Caitanya Bhagavata
describes that the three
brothers, Sri Vasudeva
Ghosa, Sri Madhava Ghosa
and Sri Govinda Ghosa were
very expert singers. Sri
Nityananda Prabhu Himself
would dance as they sang.
Darshan of Sri Gopinatha is
rare as the Lord gives
darshan for only few days in
a year. The Lord visits the
fair at Krishnanagar during
this month and stays there
to be worshipped by the
king of Krishnanagar. On His
way to Krishnagar, the Lord
passes through Mayapur for
a day and Mayapur
devotees wait for this day.
Mayapur devotees along
with Jananivas and
Pankajanghri Prabhu
performed puja, arati and
offered bhoga to Gopinath.
Gopinath deities gave
darshan in a boat. They
were dressed with flower
crowns with simple but
beautiful outfits. Jananivasa
Prabhu narrated the pastime
of how Gopinatha had
loving exchange with his
devotee Sri Govinda Ghosa.
The Lord promised to
perform pinda ceremony to
Govinda Ghosa on his
departure as his son has
passed away untimely. He
persuaded Govinda Ghosa
to continue worshipping
Him and cook bhoga for
Him in exchange to this
deal.
Caitanya Bhagavata gives
the following description on
this lila.
Sri Govinda Ghosa and
the Pinda dan lila:
When Mahaprabhu set out
for Sri Vrindavana from
Nilacal with His devotees,
Govinda Ghosa was also
present. There is an incident
described by one
Acyutacarana Caudhuri. One
day, Mahaprabhu, after
accepting his noon meal,
extended his hand, thus
requesting some amlaki
(dried fruit which aids in
digestion). Govinda
immediately ran out to bring
some from some
householders in the village
near where they were
staying.
The next day when
Mahaprabhu similarly
extended His hand after
lunch, Govinda again placed
in it some amlaki.
Mahaprabhu looked at him
and inquired as to how he
was able to provide it so
quickly whereas yesterday it
had required some time to
bring. Govinda replied that
he had kept some for
Mahaprabhu from yesterday.
Mahaprabhu said that since
he was saving things he
should remain in that village
and, becoming a
householder, he should
worship Sri Gopinathaji
there.
As per the order of
Mahaprabhu, Govinda began
to worship Gopinathji, and
after marrying he had a son
who would also assist him in
the worship of the Deity. But
his wife and then later his
son passed on to the next
world.
Govinda became very sad.
In a fit of anger he lay
down on his bed. He didn't
cook anything that day,
neither he ate anything,
neither did he offer anything
to Gopinathaji. In the night,
Gopinatha came and began
to massage Govinda's legs.
Then He asked him, "I don't
understand your
intelligence. One of your
sons dies, and you decide,
"Whats the point in feeding
the other one - let him die
also."
Govinda replied, "I don't
know what you're talking
about. I had only one son."
"Am I not also your son?
You are feeding Me and
taking care of Me as your
son. Now when I am
dependent on you, you
decide to neglect Me all
together."
"Well, anyway, now there's
no one to perform my
sraddha and the offering of
pinda to my forefathers. Will
You do that?"
"Yes, I can do it. Why not?
So now will you give Me
something to eat?"
Having heard Gopinatha's
reply, Govinda was very
happy and got up to
prepare an offering. To this
day, the Deity dresses in a
plain white cloth and with a
kusa grass ring on His
finger, He offers pinda on
the disappearance day of
Govinda Ghosa Thakura.